Posts

Showing posts from October, 2025

কাব্যতীর্থ কোর্সের ইতিহাস

                                                          কাব্যতীর্থ কোর্সের ইতিহাস ১৯৭২ সালের দিকে দেশের স্কুল পর্যায়ে হিন্দুধর্ম বিষয়ক শিক্ষক খুঁজেই পাওয়া যাচ্ছে না। বাংলাদেশে নেয় ভারত হিন্দু প্রধান দেশ থাকা সত্যেও হিন্দুধর্ম শিক্ষক অনেক স্কুলে নেই। তারপরই বিভিন্ন দেশের ভাষা সংস্কৃতি রক্ষার জন্য গঠন করা হয় আন্তর্জাতিক সংস্কৃত সমিতি। প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি করা হয় কলিকাতা রবীন্দ্র-ভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের সংস্কৃত, রবীন্দ্র সাহিত্য ও রাজনীতি বিজ্ঞানের প্রবীণতম অধ্যাপক আচার্য্য ডক্টর শ্রী নারায়ণ চক্রবর্তী,এম.এ,পি.এইচ.ডি শাস্ত্রীকে। ঠিক সেখান থেকে শুরু আজকের এই কাব্যতীর্থ কোর্সটি। বিশ্বের প্রাচীনতম এবং সমৃদ্ধতম ভাষা সংস্কৃত মানব-সভ্যতার এক অনবদ্য সম্পদ। সংস্কৃত ভাষাকে বিশ্বের সর্ব্বাধিক বৈজ্ঞানিক ভিত্তির উপর প্রতিষ্ঠার লক্ষে কাজ করে চলছে। এর পর-পরই, সমিতির কাজ পরিসর বৃদ্ধি পেতে থাকে,বাংলাদেশকে ও সমিতির সদস্য করা হয়। বাংলাদেশের সংস্কৃত সাহিত্যের গঠন পাঠন ...

বাংলাদেশ সংস্কৃত ও পালি শিক্ষা বোর্ড এর ইতিহাস

                                      বাংলাদেশ সংস্কৃত ও পালি শিক্ষা বোর্ড এর ইতিহাস বাংলাদেশ সংস্কৃত ও পালি শিক্ষা বোর্ড সনাতন পদ্ধতিতে সংস্কৃত ও পালি শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনাকারী একটি প্রতিষ্ঠান। ১৯১৫ খ্রিস্টাব্দে বঙ্গীয় সংস্কৃত পরিষদ (Bengal Sanskrit Association) নামে কলকাতায় এটি প্রথম প্রতিষ্ঠিত হয় এবং এর মাধ্যমেই সংস্কৃত ও পালিতে আদ্য, মধ্য ও উপাধি পরীক্ষা প্রচলিত হতো। ১৯৪৭ খ্রিস্টাব্দে ভারত বিভাগের সময় উক্ত পরিষদ তিন ভাগে বিভক্ত হয়ে যায়: বঙ্গীয় সংস্কৃত শিক্ষা পরিষদ (পশ্চিমবঙ্গ), আসাম সংস্কৃত সভা (আসাম) এবং ইস্ট পাকিস্তান সংস্কৃত সভা। তখন থেকে এ অঞ্চলের সংস্কৃত ও পালি টোলের সকল পরীক্ষা ইস্ট পাকিস্তান সংস্কৃত সভার অধীনে অনুষ্ঠিত হতো। ১৯৪৮ খ্রিস্টাব্দে এ বোর্ডের কার্যক্রম শুরু হলেও মূলত এটি ছিল তখন পরীক্ষা পরিচালনার মতো একটি এডভাইজরি বোর্ড। ১৯৬২ খ্রিস্টাব্দে এর নামকরণ করা হয় ‘পাকিস্তান সংস্কৃত ও পালি শিক্ষা বোর্ড’, যা বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের পরে ‘বাংলাদেশ সংস্কৃত ও পালি শিক্ষা বোর্ড...

কাব্যতীর্থ সিলেবাস

Image
 

সংস্কৃত কোর্সের বিগত সালের প্রশ্নপত্র

Image