কাব্যতীর্থ কোর্সের ইতিহাস
কাব্যতীর্থ কোর্সের ইতিহাস
১৯৭২ সালের দিকে দেশের স্কুল পর্যায়ে হিন্দুধর্ম বিষয়ক শিক্ষক খুঁজেই পাওয়া যাচ্ছে না।
বাংলাদেশে নেয় ভারত হিন্দু প্রধান দেশ থাকা সত্যেও হিন্দুধর্ম শিক্ষক অনেক স্কুলে নেই। তারপরই বিভিন্ন দেশের ভাষা সংস্কৃতি রক্ষার জন্য গঠন করা হয় আন্তর্জাতিক সংস্কৃত সমিতি। প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি করা হয় কলিকাতা রবীন্দ্র-ভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের সংস্কৃত, রবীন্দ্র সাহিত্য ও রাজনীতি বিজ্ঞানের প্রবীণতম অধ্যাপক আচার্য্য ডক্টর শ্রী নারায়ণ চক্রবর্তী,এম.এ,পি.এইচ.ডি শাস্ত্রীকে। ঠিক সেখান থেকে শুরু আজকের এই কাব্যতীর্থ কোর্সটি। বিশ্বের প্রাচীনতম এবং সমৃদ্ধতম ভাষা সংস্কৃত মানব-সভ্যতার এক অনবদ্য সম্পদ। সংস্কৃত ভাষাকে বিশ্বের সর্ব্বাধিক বৈজ্ঞানিক ভিত্তির উপর প্রতিষ্ঠার লক্ষে কাজ করে চলছে। এর পর-পরই, সমিতির কাজ পরিসর বৃদ্ধি পেতে থাকে,বাংলাদেশকে ও সমিতির সদস্য করা হয়। বাংলাদেশের সংস্কৃত সাহিত্যের গঠন পাঠন দুটোই প্রায় শোচনীয় অবস্থায় এসে দাঁড়িয়েছে। যে অল্প সংখ্যক শিক্ষার্থী সংস্কৃত ভাষা পড়তে চায়,তাদের জন্যও প্রয়োজনীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও পুস্তক না থাকায় তারা এ ব্যাপারে উৎসাহ হারিয়ে ফেলে। তারপর-ই, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সংস্কৃত ও পালি বৌদ্ধিষ্ট (অনার্স) বিভাগের চালু করা হয়। বিভাগের চেয়ারম্যান করা হয় ডক্টর পরেশ চন্দ্র মন্ডল বি.এ(অনার্স) এম.এ,পি.এইচ.ডি মহোদয়কে। অনেকেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এই বিভাগে ভর্তি পরীক্ষায় পাশ করতে না পারায়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাদেশ সরকারের যৌথ প্রয়াসে নতুন এক শিক্ষা বোর্ড গঠন করা হয়,"বাংলাদেশ সংস্কৃত ও পালি শিক্ষা বোর্ড"। বোর্ডে অধিনে ৩ বছর মেয়াদী বর্তমানে ১২টির অধিক কোর্সে একজন এস.এস.সি পাশ শিক্ষার্থী এই কাব্যতীর্থ কোর্স-এ ভর্তি হতে পারবে। সেই প্রজ্ঞাপন অনুসারে বর্তমানে প্রতি বছর ডিসেম্বর মাসে কাব্যতীর্থ কোর্সটির পরীক্ষা হয়ে থাকে।
বিগত বছরের ন্যায় 'কলেজ পয়েন্ট' থেকে প্রতিবছর সহজ পদ্ধতিতে ভর্তি হয়ে আপনিও কোর্সটি সম্পূর্ণ করতে পারেন।
* ভর্তি জন্য বিস্তারিত জানতে কল করুনঃ
০১৩০৫২৮৮৯০১
Comments
Post a Comment